ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে পালানো বন্দি রিম্পা রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 21, 2026 ইং
সংগৃহীত ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী বন্দি মোছা. রিম্পা (২১)-কে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (প্রিজন্স) জান্নাতুল ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পলাতক বন্দিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কারা গোয়েন্দা ইউনিট (প্রিজন্স ইন্টেলিজেন্স) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, র‍্যাবের কাছ থেকে তাকে কোনাবাড়ি থানায় হস্তান্তরের পর আদালতে উপস্থাপন করা হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে আবার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে পাঠানো হবে।

এদিকে বন্দি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিনজন মেট্রন ও চারজন নারী কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। বরখাস্ত হওয়া মেট্রনরা হলেন লায়লা আনজুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা। এছাড়া নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমাকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। সেই সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নজরদারির ফাঁক গলে রিম্পা অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ ব্যবহার করে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।

রিম্পার বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকায়। তিনি মো. হাসানের মেয়ে। ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে ছিলেন।

ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ ও কারা গোয়েন্দা ইউনিট কারাগারের ভেতরে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি প্রাচীর টপকে কারাগার ত্যাগ করেছেন। এরপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

এর আগে বন্দি পালানোর ঘটনায় গত শুক্রবার গাজীপুরের কোনাবাড়ি থানায় কারা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা দায়ের করে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে

আমি কে?

‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।